খড়্গপুর: খড়্গপুরে রাতের অন্ধকারে দফায় দফায় অভিযান চালিয়ে একটি স্করপিও আটক করল পুলিশ। অতুলমনি স্কুলের কাছে টহলদারির সময় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করা গাড়িটিকে থামিয়ে তল্লাশি করতেই বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। স্করপিওর সিটের তলা থেকে উদ্ধার হয় একটি দেশি বন্দুক এবং এক রাউন্ড কার্তুস। সঙ্গে সঙ্গেই গাড়ির ভেতরে থাকা এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে খড়্গপুর টাউন থানার পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, আগে থেকেই ইনপুট ছিল—একটি স্করপিও গাড়িতে লুকিয়ে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে কেউ এলাকায় ঘোরাফেরা করছে। সেই সূত্র ধরেই অতুলমনি স্কুল মোড়ে অভিযান চালায় পুলিশ। মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও) ধীরাজ ঠাকুর জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল থেকেই বন্দুক, গুলি এবং স্করপিও গাড়িটি আটক করা হয়েছে। আজ অভিযুক্তকে আদালতে পাঠিয়ে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করা হবে—কোথা থেকে অস্ত্র এল, কার কাছে পৌঁছনোর কথা ছিল, সবই জানার চেষ্টা করবে পুলিশ।

সূত্রের দাবি, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির নাম সুভাষ ঠাকুর, এবং সে নাকি স্করপিও গাড়িতে “যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদকের” বোর্ড লাগিয়ে ঘুরে বেড়াত। যা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়েছে—তার সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। এমনকি কোনও পদেও ছিল না। নেতৃত্বের প্রশ্ন—“দলের অনুমতি ছাড়া কীভাবে সে এমন বোর্ড লাগিয়ে ঘুরত?”

ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। বিরোধীরা ইতিমধ্যেই তৃণমূলকে skরকারি প্রতাপ দেখিয়ে এলাকায় দাপট দেখানোর অভিযোগে আক্রমণ শানাচ্ছে। শাসকদলের পাল্টা দাবি—এটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত অপরাধ, তাতে দলের কোনও যোগ নেই। এখন পুলিশের তদন্তেই পরিষ্কার হবে—এই আগ্নেয়াস্ত্র কার, এবং তার নেপথ্যে আরও কেউ রয়েছে কি না।

