নন্দীগ্রামে রাস্তাজুড়ে গেরুয়া আবিরের ঝলক, কানে ভেসে আসছে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান। অন্যদিকে ক্ষোভে ফুঁসছে তৃণমূল শিবির। সমবায় নির্বাচনে একটিও আসন জিততে পারেনি তৃণমূল। সবকটি আসন দখল করেছে বিজেপি। ফলে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিধানসভা এলাকায় গেরুয়া শিবিরে হাওয়া বইছে।
জানা গেছে, ২০১৬ সাল থেকে আদালতের মামলার কারণে বিরুলিয়া সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির নির্বাচন স্থগিত ছিল। সেই সময়ে প্রশাসকের মাধ্যমে সমবায় পরিচালিত হয়। অবশেষে আদালতের নির্দেশে ভোট ঘোষণা হতেই নির্বাচনের ময়দানে নামে বিজেপি ও তৃণমূল—দুই শিবিরই সবকটি আসনে প্রার্থী দেয়। রবিবার নন্দীগ্রাম-২ ব্লকের এই সমবায়ের পরিচালন মণ্ডলীর সদস্যপদে ভোট গ্রহণ হয়। রাজনৈতিক সংঘর্ষ এড়াতে ভোটকেন্দ্র চত্বরে বিশাল পুলিশ বাহিনীর মোতায়েন ছিল।

মোট ১২টি আসনের সবকটিতেই জয়লাভ করেছেন বিজেপি সমর্থিত প্রার্থীরা। ফল ঘোষণা হতেই এলাকা জুড়ে গেরুয়া আবিরের ঝলক, কানে ভেসেছে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান। মিষ্টিমুখে উল্লাসে মেতে উঠেছেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। অন্যদিকে, একটিও আসন জিততে না পেরে ক্ষোভে ফুঁসছে তৃণমূল শিবির। ফলে শুভেন্দু অধিকারীর গড় নন্দীগ্রামে গেরুয়া শিবিরের বাড়তি অক্সিজেন মিলেছে বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।
তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সম্পাদক তথা নন্দীগ্রামের বিজেপি নেতা প্রলয় পাল অভিযোগ করে বলেন, “পুলিশ প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে সমবায় দখলের চেষ্টা করেছিল তৃণমূল। কিন্তু তা আর সম্ভব হয়নি। একটি আসনেও জিততে না পেরে এখন নানা অভিযোগ তুলছে তারা। মানুষ আমাদের সাথেই রয়েছে, নির্বাচনের ফলাফলই তার প্রমাণ।”
অপরদিকে ফল ঘোষণার পরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে নন্দীগ্রাম। তৃণমূলের ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের পাল্টা বিজেপি সমর্থকরা দিতে শুরু করে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান। দু’পক্ষের মধ্যে শুরু হয় বচসা, যা হাতাহাতির রূপ নেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত বিশাল পুলিশ বাহিনী

