নন্দীগ্রাম: নন্দীগ্রামে ২৫ ডিসেম্বর অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্মদিন ও তুলসী পূজন দিবস পালন উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানাতে গিয়ে তিনি বলেন, “কয়েকজন ইতর উন্মাদের হাতে বাংলাদেশের সরকার রয়েছে। এদের শিক্ষা দিতে গেলে আর একটা ’৭১ দরকার। এদিক থেকে কয়েকটা ড্রোন পাঠাতে হবে, বাকিটা আমরা করব।”
বক্তৃতায় শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, বাংলাদেশে কার্যত কোনও স্থিতিশীল সরকার নেই। তিনি বলেন, “ওখানে যারা ক্ষমতায় রয়েছে, তাদের পশুর সঙ্গে তুলনা করলে পশুর অপমান হবে।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল শুরু হয়েছে।
রাজ্য রাজনীতির প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, আগামী এপ্রিল মাসেই বাংলায় প্রকৃত সুশাসন আসবে। ২০১১ সালে পরিবর্তন হলেও প্রকৃত পরিবর্তন হয়নি বলে দাবি করে তিনি বলেন, “ওই পরিবর্তনের ফলে সুফিয়ানের জাহাজবাড়ি হয়েছে, শাহাবুদ্দিনের বাড়ি হয়েছে, কিন্তু গরিব মানুষ গরিবই থেকে গেছে।”
নন্দীগ্রামের প্রসঙ্গ তুলে তিনি আরও বলেন, এখানকার মানুষ বুঝে গিয়েছিল কাদের হাতে ক্ষমতা গেলে কী পরিণতি হবে। তাই একজন সাধারণ মানুষকে জিতিয়ে দিয়েছিল নন্দীগ্রামবাসী—এমন দাবিও করেন তিনি।
এদিন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও অনিকেত মাহাতোর নিয়োগ না হওয়া প্রসঙ্গে রাজ্য সরকারকে তীব্র কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, “এই সরকার আদালতের নির্দেশও মানে না। কোর্ট রক্ষাকবচ দেওয়ার পরেও নিয়োগ করছে না।”
নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর এই বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র বাকযুদ্ধ।





