অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে কড়া নির্দেশ জারি করেছে Election Commission of India। তবে সেই সিদ্ধান্ত ঘিরেই শুরু হল নতুন বিতর্ক। ভোটের আগে মোটরবাইক চলাচলে বিধিনিষেধ জারিকে ‘জনবিরোধী’ বলে কটাক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee।
মুখ্যমন্ত্রীর সাফ বক্তব্য, “মোটরবাইক বন্ধ করে দিলে মানুষ কাজ করবে কী করে? গরিব মানুষ যাতায়াত করবে কীভাবে?” তাঁর দাবি, গ্রামাঞ্চলে বহু মানুষের কাছে বাইকই একমাত্র ভরসা। সেই যান বন্ধ করলে রুজি-রোজগার ও দৈনন্দিন জীবন মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হবে।
নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটের আগে বাইক বাহিনীর দাপট ও সম্ভাব্য অশান্তি ঠেকাতেই এই সিদ্ধান্ত।
- ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে বাইক মিছিল নিষিদ্ধ
- রাত ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত বাইক চলাচলে নিয়ন্ত্রণ
- দিনের বেলাতেও পিলিয়ন রাইডিংয়ে নিষেধাজ্ঞা
এই নির্দেশ মূলত আসন্ন West Bengal Assembly Election 2026-কে কেন্দ্র করে জারি করা হয়েছে।
কমিশন জানিয়েছে কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে—
- অ্যাপ-ভিত্তিক পরিষেবা (যেমন Zomato, Swiggy, Rapido)
- জরুরি চিকিৎসা বা পারিবারিক প্রয়োজনে
- ভোটের দিন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার ক্ষেত্রে
কমিশনের এই ‘নিরাপত্তা’-র যুক্তি মানতে নারাজ শাসক দল। তাদের মতে, এই সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করবে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগেও সমস্যা হতে পারে।
অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন মনে করছে, শান্তিপূর্ণ ভোটের স্বার্থেই এই বিধিনিষেধ জরুরি। সব মিলিয়ে ভোটের মুখে বাইক নিষেধাজ্ঞা ঘিরে কমিশন বনাম শাসকদলের এই সংঘাত রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তাপ বাড়াল।

