মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে এখনও ইস্তফা দেননি Mamata Banerjee। আর সেই সিদ্ধান্ত ঘিরেই এবার সরব হলেন Himanta Biswa Sarma। অসমের মুখ্যমন্ত্রীর সাফ বক্তব্য, “পদত্যাগ না করলে তাঁকে বরখাস্ত করা হবে।” এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে চড়েছে রাজনৈতিক উত্তাপ।
বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের পরাজয় এবং ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হার নিশ্চিত হওয়ার পরও এখনও পর্যন্ত রাজ্যপালের কাছে ইস্তফা জমা দেননি তিনি। অন্যদিকে, বিজেপি সূত্রে খবর আগামী ৯ মে নতুন সরকারের শপথগ্রহণ হতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে ৭ মে-র পর রাজ্যের সাংবিধানিক অবস্থান কী হবে, তা নিয়েই শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।
মঙ্গলবার রাতে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, “দেশের শাসনব্যবস্থা কারও ব্যক্তিগত ইচ্ছেমতো চলে না। নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করার পর প্রয়োজন হলে রাজ্যপাল পদক্ষেপ করবেন।” তাঁর দাবি, সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর পরও মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকা সাংবিধানিক রীতির পরিপন্থী।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য এখনও নিজের অবস্থানে অনড়। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের যোগসাজশে তৃণমূলের কাছ থেকে ১০০-র বেশি আসন ‘ছিনিয়ে নেওয়া’ হয়েছে। সেই কারণেই তিনি ফলাফল মানতে নারাজ বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।
এই প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে হিমন্ত বলেন, “যদি ১০০ আসন ছিনিয়ে নেওয়ার দাবি ওঠে, তাহলে আমিও বলতে পারি অসমে কংগ্রেস যে আসনগুলো পেয়েছে সেগুলো আমার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। কোনও দেশ এভাবে চলে না।”
অসমের মুখ্যমন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন, সীমান্ত নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক বিষয়েও তৃণমূল সরকার ব্যর্থ হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, বাংলার মানুষ এবার পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন এবং সেই রায়কে সম্মান করা উচিত।
এদিকে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা, যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইস্তফা না আসে, তাহলে রাজ্যপাল সরাসরি সংখ্যাগরিষ্ঠ বিজেপি বিধায়ক দলকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাতে পারেন। যদিও রাষ্ট্রপতি শাসনের সম্ভাবনাও একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞদের একাংশ।





