রাজনীতির উত্তাপ যখন চরমে, তখনই একেবারে অন্য মেজাজে ধরা দিলেন প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi। West Bengal Assembly Election 2026-এর প্রচারের মাঝে হঠাৎ করেই ঝাড়গ্রামের রাস্তায় একটি ঝালমুড়ির দোকানে ঢুকে পড়লেন তিনি। আর সেই মুহূর্তই এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে।
ঝাড়গ্রাম স্টেডিয়ামে সভা শেষে হেলিপ্যাডে ফেরার পথে রাজ কলেজ মোড়ে আচমকা গাড়ি থামিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর একটি রাস্তার ধারের দোকান থেকে কিনে নেন বাঙালির অতি পরিচিত খাবার—Jhalmuri।
দোকানি যখন জিজ্ঞেস করেন, তিনি পেঁয়াজ খান কি না—তখন মোদীর মজাদার জবাব, “পেঁয়াজ খাতে হ্যায়, লেকিন দিমাগ নেহি খাতে হ্যায়।” অর্থাৎ, পেঁয়াজ খান, কিন্তু মাথা খান না! এই কথাতেই উপস্থিত সকলের মুখে ফুটে ওঠে হাসি।
এরপর বেশ স্বাভাবিকভাবেই ঝালমুড়ি খেতে খেতে আশেপাশের সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। শুধু নিজে খেয়েই থামেননি, পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন শিশু ও স্থানীয়দের সঙ্গেও সেই মুড়ি ভাগ করে নেন।
এই দৃশ্য দেখে যেমন অবাক হয়েছেন সাধারণ মানুষ, তেমনই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে জোর চর্চা। অনেকেই প্রধানমন্ত্রীর এই ‘ঘরোয়া’ মুহূর্তের প্রশংসা করছেন।
তবে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চাপানউতোরও। বিরোধীদের একাংশ একে ‘গিমিক’ বলে কটাক্ষ করেছে। যদিও সমর্থকদের দাবি, বাংলার মাটি ও সংস্কৃতির সঙ্গে সংযোগ স্থাপনেরই এক সহজ চেষ্টা এটি।
বাংলার রাজনীতিতে চা, চপ, মুড়ির মতো খাবার বরাবরই প্রচারের অংশ হয়ে উঠেছে। কখনও Mamata Banerjee-কে দেখা গিয়েছে চা বানাতে বা চপ ভাজতে। আর এবার সেই তালিকায় নতুন সংযোজন মোদীর ‘ঝালমুড়ি মুহূর্ত’।
সব মিলিয়ে, ভোটের উত্তাপে এই ছোট্ট বিরতি যেন খানিকটা হালকা হাওয়া এনে দিল। এখন দেখার, এই ‘মুড়ি কূটনীতি’ ভোটবাক্সে কতটা প্রভাব ফেলে।

